০৫.০৫.২০২৫
মটরসাইকেলটা নিয়ে গিয়েছিলাম কাঁটাবন পাখির বাজারে, আমার পোষা ইন্ডিয়ান রিংনেক টিয়ার জন্য খাবার কিনতে। এ রাস্তায় আসা হয় কম। আগেই চোখে পড়েছিল পাঠক সমাবেশের লাইব্রেরিটা। শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের পাশে পাঠক সমাবেশের একটা বড় লাইব্রেরি আছে। আমার সেখানেও যাওয়া হয় নি। কাঁটাবনের লাইব্রেরিটা সামনে পড়ায় ভাবলাম একটা ঢুঁ মারি।
ধানমন্ডিতে বেঙ্গল বইয়ের দোকানে কয়েকবার গিয়েছি। বাজার মনে হয়েছে। বইয়ের দোকানে খাবার আর আড্ডাবাজির সুযোগ করে দিলে বই মূল্যহীন হয়ে পড়ে বলে আমি মনে করি। বাতিঘরও আজকাল খুব ব্যস্ত মনে হয় আমার কাছে।
কাঁটাবনে পাঠক সমাবেশে যখন যাই তখন দোকানটা মোটামুটি ফাঁকা। খুব হাল্কা, ঠান্ডা পিয়ানো মিউজিক দিয়ে রেখেছে।
অসাধারণ একটা আবহ!
কয়েকটা ছবি তুলেছিলাম, সময় থাকলে দেখে নিন।

ঢুকলেই এই ভিউটা পাবেন। সোজা সামনে একেবারে শেষে রুমের ঠিক মাঝে একটা ডায়াস আছে।

এরকম সোফা আছে বসার জন্য, বাইরে কাঁটাবন পাখির মার্কেট দেখা যাচ্ছে ।

জানালার পাশে এক সোফায় বসেছিলাম, সেখান থেকে তোলা।

একটা বই হাতে নিয়ে পাতা উল্টাচ্ছিলাম। ফ্রান্স ভ্রমণ অভিজ্ঞতার সাথে ইউরোপের অনেক তথ্য শেয়ার করেছেন লেখক।

বইয়ের একটা পাতা ।

ঠিক মাঝখানে একটা ডায়াস আছে ।

মাঝের সেই ডায়াসে বসে সামনের ভিউ এমন আসে।

মাঝের ডায়াসের ঠিক পাশেই কর্ণারটা এভাবে সাজানো।

কর্নারে থাকা সোফায় বসে মাঝের ভিউটা এমন।

চেনা যায় ? সোফায় বসা আমি।

লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে নীলক্ষেতে কিছু কাজ সেরে ভাবলাম ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে একটু ঢুঁ মারি। আইসক্রিমওয়ালার থেকে এটা নিলাম। ফেসবুকে বেশ রিভিউ দেখেছিলাম। কিন্তু দাম বেশি মনে হয়েছে, ১০০ টাকা ! ৬০ টাকার মধ্যে হলে ভালো হতো।
“The man who goes alone can start today; but he who travels with another must wait till that other is ready.”
— Henry David Thoreau
(Thoreau, a transcendentalist writer and philosopher, often celebrated solitude, nature, and self-reliance in his works—especially in Walden.)
আজ এ পর্যন্তই থাক। 🙂

Leave a Reply