পিপিএম কোর্স-মুন্সীগঞ্জঃ সপ্তাহ-১

Written by

in

,

১২.০৫.২০২৫

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা সংক্ষেপে পিপিএম নামের এই কোর্সটায় কীভাবে যেন সিলেক্টেড হয়ে গেলাম। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজে আবাসিক ব্যাচটাই বেছে নিলাম। তিন সপ্তাহের ট্রেনিং ১২ই মে থেকে ২৮ শে মে পর্যন্ত হবে।

১২ তারিখ সকালেই চলে গেলাম ঢাকার রমনায় অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ তথা আইইবি-তে। মুন্সীগঞ্জে যাওয়ার জন্য এখান থেকে একটা বাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল আমাদের জন্য, এসি বাস। বাস ছাড়ার সময় সকাল ৭টা ১০ মিনিট। বাস ছাড়ার আগে কেক, কফি আর পানির ব্যবস্থা ছিল।

আমরা সকাল ৮ টা ২০ এর দিকে পৌঁছাই। মনোরম, প্রাকৃতিক পরিবেশ। তিন তলায় একটা রুমে আমি আর শফিউল ভাই উঠেছি। সুন্দর রুম, অ্যাটাচড বাথরুম, বারান্দা।

আচ্ছা, এখান থেকে খাবার-দাবার নিয়ে শুরু করি। আমার এই সাইটটাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কন্টেন্ট দরকার। তাই ভাবছি প্রতিদিনের খাবার নিয়েই লিখবো। আর যদি কোন বলার মতো বিষয় থাকে তাহলে বলবো।

প্রথম দিন এখানে এসে রুমে উঠেই চলে গেলাম ডাইনিং-এ। সকালের নাস্তায় ছিল ভুনা খিচুড়ি, ডিম ভুনা, সবজি, সালাদ আর নাস্তার পর চা। সুস্বাদু রান্না।

৯ টা থেকে ক্লাস। ক্লাসের ফাঁকে টি ব্রেকে চিকেন ফ্রাই, আঙুর আর চা। এরপর লাঞ্চ ব্রেক। এখানে খাওয়ালো সাদা ভাত, কাচকি মাছ ভুনা, মুরগীর মাংস, সবজি আর ডাল। লাঞ্চের পর আবার ক্লাস। ক্লাস শুরু হবার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুম তাড়ানোর জন্য ডেস্কে দিয়ে গেল কফি। বিকাল ৫ টার পর ক্লাস শেষে গেলাম আবার ডাইনিং-এ। বিকালের নাস্তা দিল ২ পিস জেলি মাখানো পাউরুটি আর কলা, সাথে চা।

রাত সাড়ে আটটার দিকে গেলাম রাতের খাবারের জন্য। দিল পরোটা, চিকেন তন্দুরি, ডিম ভাজি, বুটের ডাল ভুনা (খাশি/মুরগির হাড্ডি পাওয়া গেছে) আর সালাদ।

এই ছিল প্রথম দিনের খানাপিনা।

১৩.০৫.২০২৫

রাতে ঘুম ভালোই হলো, কিন্তু সকাল সকাল ঘুম ভেঙে গেল।

রেডি হয়ে ডাইনিং-এ গেলাম। আজকের নাস্তা পরোটা, সুজির হালুয়া, ডিম ভাজি, সবজি। সাথে চা তো আছেই।

১১টার দিকে ব্রেক-এ দিলো একটা সিংগারা আর আপেল। সাথে চা।

দুপুরে দিলো সাদা ভাতের সাথে খাসির মাংস, সবজি, ডাল।

বিকালের নাস্তা একটা পাটিসাপটা পিঠা আর কলা। চা আছে।

রাতে দিলো সাদা ভাতের সাথে টেংরা মাছ ভুনা, করল্লা ভাজি, টমেটোর চাটনি আর ডাল। মাছ ভাল্লাগে না 🙁

১৪.০৫.২০২৫

সকালের নাস্তায় সুজির হালুয়া মিস গেল কেন ? কেন ?? কেন ??? (কান্নার ইমু হইবে, ভেউ ভেউ করে কান্না)

ওয়েল, সুজির হালুয়া মিস গেছে, কিন্তু যা দিছে মন্দ না। পরোটা, সবজি, ডিম। চলে আর কি।

পেছনে গিয়ে বামদিকে ডাইনিং, ডানে রিসেপশন। আর সোজা গেলে আমাদের হোস্টেল।

কৃষ্ণচূড়া। সুন্দর না ?

স্যার ক্লাস ভালো নেয়।

I got a pocket got a pocket full of sunshine …

Take me away…

দুপুরে দিছে মেগা খানা পোলাও, স্পেশাল সবজি, রোস্ট, মাছ ফ্রাই, ডিমের কোরমা। কোপা কারবার। মাছ ভাজিটা কিন্তুক সেই হইছে !

বিকালে দিলো মোগলাই আর কলা।

প্রতি বেলায় চা আর দুপুরে ডেস্কেই কফি মিস নাই।

বিকালে একটু হাঁটাহাঁটি, ব্যস, এইটুকুই।

রাতে দিছে পাবদা মাছ। সাথে সবজি, ডাল। এক আপু বোম্বাই মরিচের আচার দিছিলো, জিহ্বায় একটু লাগাইয়া আর আগাইতে পারি নাই ভয়ে। ডান পাশের চাপা জ্বলে গেছিলো।

কালকে সপ্তাহের শেষ ক্লাস।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *